ঢাকা

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাঃ

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
Header Ads

খুচরা দোকানে মজুদ সার অভিযানের আগেই উধাও, জরিমানা ৩ হাজার

খুচরা দোকানে মজুদ সার অভিযানের আগেই উধাও, জরিমানা ৩ হাজার
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
অ+ অ-
ইমরান মাহমুদ:

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নে সারের সংকটের মধ্যে একটি খুচরা দোকানে সার মজুদ করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানোর প্রায় চার ঘণ্টা পর ওই দোকানে অভিযান চালানো হলেও অভিযানের আগেই মজুদ করা সার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের তালুকপাড়া মোড় এলাকায় আজিজুলের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বালাইনাশক ও খাদ্যপণ্য একসঙ্গে রাখার অভিযোগে দোকান মালিক আজিজুলকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তালুকপাড়া মোড় এলাকার মুন্সী স্টোরের মালিক আজিজুলের বিরুদ্ধে দোকানে সার মজুদ করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দোকানটিতে ইউরিয়া সার বিক্রি করা হচ্ছে। এ সময় একটি অটোরিকশায় সার তোলা হচ্ছিল। দোকানে প্রায় ৩০ বস্তা সার মজুদ ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

এ সময় দোকান মালিক আজিজুল বলেন, ‘সার লাগলে কিনে নিতে পারেন। শুক্রবার এক ট্রাক সার নেমেছিল, বিক্রি হয়ে গেছে। আজ রাতে আবার সার নামবে। আগামীকালও চাইলে নিতে পারবেন। সার আমার না, এক নেতার সার। সেইটা বিক্রি করতাছি।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়নে সারের সংকট থাকলেও ওই ব্যবসায়ীর দোকানে সার মজুদ করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। শনিবার বিকেল ৫টার দিকে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। একই সঙ্গে মজুদ করা সারের ভিডিও পাঠানো হয় কৃষি কর্মকর্তাকেও।

পরে রাত ৮টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কৃষি কর্মকর্তার নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানের সময় দোকানে মজুদ করা কোনো সার পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযানের আগেই দোকান থেকে সার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

অভিযানের সময় দোকানে বালাইনাশক ও খাদ্যপণ্য একসঙ্গে রাখার অভিযোগে ব্যবসায়ীকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের সময় ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজনু উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘যাঁরা এ তথ্য দিয়েছেন, তাঁদের নামে কালেই চাঁদাবাজি মামলা করব।’

এ বিষয়ে জানতে মো. মিজানুর রহমান মজনুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

মেলান্দহ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুর রউফ বলেন, ‘দোকানে বালাইনাশক ও খাদ্যপণ্য একসঙ্গে রাখায় তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা আক্তার জ্যোতির বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

শিরোনাম...

একটি মন্তব্য করুন