ঢাকা

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাঃ

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
Header Ads

দেওয়ানগঞ্জে কাজী কাইয়ুম শিশিরের বিরুদ্ধে জমি দখল ও জাল দলিলের অভিযোগ

দেওয়ানগঞ্জে কাজী কাইয়ুম শিশিরের বিরুদ্ধে জমি দখল ও জাল দলিলের অভিযোগ
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
অ+ অ-
নিজস্ব প্রতিনিধি:

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে কাজী কাইয়ুম শিশিরের বিরুদ্ধে জমি দখল, জাল দলিল তৈরি, ভুয়া নামজারি এবং হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে কয়েকটি পরিবারকে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

রোববার সকালে দেওয়ানগঞ্জ প্রেসক্লাবে পৌর এলাকার চরভবশুর গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক।

লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ করেন, কাজী কাইয়ুম শিশির দীর্ঘদিন ধরে চরভবশুর এলাকার কয়েকটি পরিবারের জমি দখল, জাল দলিল তৈরি ও ভুয়া নামজারির মাধ্যমে জমির মালিকানা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করে আসছেন। পাশাপাশি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে জমির দলিল ও মালিকানা-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ২০০৪ সালে ১৪৩ নং দলিলের মাধ্যমে আব্দুস সামাদ চরভবশুর মৌজায় মোট ১৮ শতাংশ জমি কেনেন। এর মধ্যে ৮৪৯ নং খতিয়ানের ২৪৩ নং হাল দাগে ২০ শতাংশের মধ্যে ১০ শতাংশ এবং একই খতিয়ানের ২৪৭ নং হাল দাগে ১৯ শতাংশের মধ্যে ৮ শতাংশ জমি ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তাঁর অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে ৩৮৫৪ নং দলিলের মাধ্যমে আব্দুস সামাদের কাছ থেকে ৩৮ শতাংশ জমি কেনার তথ্য দেখিয়ে কাজী কাইয়ুম শিশিরের নামে জমা খারিজ করা হয়। অথচ সামাদের কেনা জমির পরিমাণ ছিল ১৮ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে জমির দলিল ও নামজারির তথ্য যাচাইয়ের দাবি জানান তিনি।

এ ছাড়া ৬৯০ নং বিএআরএস খতিয়ান, ২৫৬৬ ও ২৬৩০ নং দলিল এবং ২৮৩৮ নং হেবা ঘোষণাপত্রের উল্লেখ করে জমির মালিকানা, জমির পরিমাণ ও নামজারি নিয়ে আরও কয়েকটি অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের দাবি, এসব নথিতে জমির পরিমাণ ও মালিকানা নিয়ে অসংগতি রয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল, খতিয়ান ও নামজারির নথি পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করেন।

আব্দুর রাজ্জাক আরও অভিযোগ করেন, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিস এবং থানায় আলোচনা হলেও তাঁরা প্রতিকার পাননি। পরে বাধ্য হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা মামলার নং ও কিছু দলিল-সংক্রান্ত তথ্য স্পষ্ট না হওয়ায় সেগুলো যাচাই করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জমি দখল, জাল দলিল, ভুয়া নামজারি ও হয়রানিমূলক মামলার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ সময় ছাইদুর রহমান, খাইরুজ্জামান, জাহিদ মিয়া, সবুজা বেগম, রাশেদা বেগম, রুপালি বেগম, বিনা খাতুন ও ফুলমতিসহ অন্য ভুক্তভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কাজী কাইয়ুম শিশিরের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শিরোনাম...

একটি মন্তব্য করুন