ঢাকা

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাঃ

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
Header Ads

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে জামালপুরের ১৬ গ্রামে ঈদুল আজহার নামাজ আদায়

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে জামালপুরের ১৬ গ্রামে ঈদুল আজহার নামাজ আদায়
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
অ+ অ-

 

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে জামালপুরের ১৬ গ্রামে ঈদুল আজহার নামাজ আদায়
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ রিপোর্টার:

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে জামালপুরের তিন উপজেলার অন্তত ১৬টি গ্রামের মুসল্লিরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।

বুধবার সকালে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও সরিষাবাড়ী উপজেলা, ইসলামপুর উপজেলামাদারগঞ্জ উপজেলা-এর কয়েকটি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা ঈদ জামাতে অংশ নিতে ভিড় করেন।

ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের রামভদ্রা এলাকায় টানা বৃষ্টির কারণে খোলা মাঠে জামাত আয়োজন সম্ভব না হওয়ায় সকাল সাড়ে ৮টায় আলতাফুর রহমানের বাড়িতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ইমামতি করেন মুসলিম উম্মাহ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হাফেজ আলতাফুর রহমান।

এ ছাড়া সরিষাবাড়ী উপজেলার বলারদিয়ার, মূলবাড়ী, সাতপোয়া, সাঞ্চারপাড়, পঞ্চপীর, পাখাডুবি, বনগ্রাম, বালিয়া, বাউসী, হোসনাবাদ, পাটাবুগা, পুঠিয়ারপাড় ও বগারপাড় গ্রামের মুসল্লিরা পৃথকভাবে ঈদের নামাজ আদায় করেন। একইভাবে ইসলামপুর উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের পশ্চিম মণ্ডলপাড়া এবং মাদারগঞ্জ উপজেলার কাজিয়ারবাড়ি গ্রামেও ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বিজ্ঞাপন

ঈদকে ঘিরে এলাকাগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও অংশগ্রহণ করেন।

নামাজ আদায় করতে আসা ইরাজুল ইসলাম বলেন, “সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারিনি। আবহাওয়ার প্রতিকূলতার কারণে বাড়িতেই নামাজ পড়তে হয়েছে। এরপরও ঈদের আনন্দ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে কোনো ঘাটতি নেই। নামাজ শেষে আমরা এখন কোরবানির প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

দেওয়ানগঞ্জ থেকে নামাজ পড়তে আসা সুলাইমান হোসেন বলেন, “মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি এখানে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করা হচ্ছে। তাই বৃষ্টির মধ্যেও ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য আমি এখানে এসেছি। আমার বিশ্বাস, চাঁদ তো একটাই, তাই মুসলিম উম্মাহরও একসঙ্গে ঈদের আনন্দ উদ্‌যাপন করা উচিত।”

মুসলিম উম্মাহ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হাফেজ আলতাফুর রহমান বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরেই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। নামাজ শেষে মুসল্লিরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।”

জামালপুর ট্রিবিউন/ আবু সাঈদ

শিরোনাম...

একটি মন্তব্য করুন