ঢাকা

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাঃ

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
Header Ads

ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীর বাজার, কমেনি সবজির দাম

ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীর বাজার, কমেনি সবজির দাম
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
অ+ অ-

 

ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীর বাজার, কমেনি সবজির দাম
অনলাইন ডেস্ক:

ঈদুল আজহার ছুটির আমেজ এখনও কাটেনি রাজধানীতে। অনেকেই এখনও গ্রামের বাড়িতে থাকায় রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতার উপস্থিতি কম। বাজারজুড়ে নেই স্বাভাবিক দিনের ব্যস্ততা, তবে ক্রেতা কম থাকলেও কমেনি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। বিশেষ করে সবজির বাজারে দেখা গেছে উল্টো চিত্র—ফাঁকা বাজারেও অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৩৩ ধরনের সবজির মধ্যে ২৬টির দাম প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা বা তারও বেশি। দেশি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৭০ টাকা, দেশি গাজর ১৬০ টাকা, চায়না গাজর ১৮০ টাকা এবং শিম ৩২০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া দেশি শসা ১২০-১৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকা ও ধনেপাতা ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ঈদের আগে যে টমেটো ৫০-৭০ টাকা কেজি ছিল, এখন তা ১৪০-১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে দেশি গাজরের দাম ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০-১৬০ টাকায় পৌঁছেছে। শিমের দাম ৯০-১০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩২০ টাকা কেজি।

সবজি বিক্রেতা আসলাম হোসেন বলেন, “ঈদের কারণে পাইকাররা এখনও পুরোপুরি বাজারে ফেরেননি। ফলে সরবরাহে সাময়িক ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এ কারণেই দাম কিছুটা বেশি।”

আরেক বিক্রেতা সাইফুল্লাহ জানান, ঈদ ও বর্ষা মৌসুমের প্রভাবে সবজির দাম বেড়েছে।

স্থিতিশীল আলু-পেঁয়াজ ও আদা-রসুনের বাজার

সবজির বাজারে অস্থিরতা থাকলেও আলু, পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, ক্রস জাতের পেঁয়াজ ৪০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, দেশি রসুন ৯০-১০০ টাকা এবং চায়না রসুন ১৩০-১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতা মো. ইউসুফ বলেন, “ঈদের আগের মালই বিক্রি করছি। নতুন করে পণ্য আনিনি। নতুন চালান এলে দামের প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে।”

ক্রেতাশূন্য মাছ, মাংস ও ডিমের বাজার

মাছ, মাংস ও ডিমের দোকানগুলোতেও ক্রেতার উপস্থিতি কম। বয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা, কক মুরগি ৩৪০-৩৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৮০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডজনপ্রতি লাল ডিম ১২০ টাকা এবং সাদা ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতারা জানান, ঈদের পর মানুষের ঘরে এখনও পর্যাপ্ত মাংস থাকায় বাজারে চাহিদা কমে গেছে। ফলে বিক্রিও আশানুরূপ হচ্ছে না।

এদিকে মাছের বাজারে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১,৩০০ থেকে ৩,০০০ টাকা কেজি দরে। রুই ৩৫০-৪০০ টাকা, কাতল ৩৮০-৪৫০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১,৮০০ টাকা এবং টেংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুদি দোকানেও নেই ক্রেতার ভিড়

মুদি দোকানগুলোতেও ক্রেতার উপস্থিতি কম। বিক্রেতারা জানান, অধিকাংশ মানুষ এখনও ছুটিতে থাকায় বিক্রি স্বাভাবিক হয়নি। প্যাকেটজাত পোলাওয়ের চাল ১৯০ টাকা, ছোট মসুর ডাল ১৫০ টাকা, বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৮ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুদি দোকানি মো. নাইম ইসলাম বলেন, “সকাল থেকে হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতা এসেছে। অনেক দোকান এখনও খোলেনি। আরও কয়েকদিন এ অবস্থা থাকতে পারে।”

বাজার সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীবাসী ফিরে এলে বাজারে আবার স্বাভাবিক ক্রেতা সমাগম শুরু হবে। তখন পণ্যের সরবরাহ ও দাম পরিস্থিতিও কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে।

জামালপুর ট্রিবিউন/ আবু সাঈদ

শিরোনাম...

একটি মন্তব্য করুন