ঢাকা

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাঃ

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
Header Ads

বিশ্বকাপে বিদেশি দর্শকদের বিলের সঙ্গে বাধ্যতামূলক টিপস যোগের চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের রেস্তোরাঁগুলোর

বিশ্বকাপে বিদেশি দর্শকদের বিলের সঙ্গে বাধ্যতামূলক টিপস যোগের চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের রেস্তোরাঁগুলোর
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
অ+ অ-

 

বিশ্বকাপে বিদেশি দর্শকদের বিলের সঙ্গে বাধ্যতামূলক টিপস যোগের চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের রেস্তোরাঁগুলোর
অনলাইন ডেস্ক:

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি আয়োজক শহরের রেস্তোরাঁ মালিকরা বিদেশি দর্শকদের খাবারের বিলের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে বকশিশ বা টিপস যোগ করার পরিকল্পনা করছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এবারের ফিফা বিশ্বকাপকে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল আসরগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যেই দর্শকদের জন্য নতুন করে অতিরিক্ত ব্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে অধিকাংশ খাবার পরিবেশনকারী কর্মী ও বারটেন্ডার ন্যূনতম মজুরির চেয়েও কম বেতন পান। ফলে তাদের আয়ের বড় অংশ নির্ভর করে ক্রেতাদের দেওয়া টিপসের ওপর। তবে বিশ্বের অনেক দেশের মানুষের মধ্যে রেস্তোরাঁয় বকশিশ দেওয়ার সংস্কৃতি নেই।

বিশ্বকাপ উপলক্ষে লাখ লাখ আন্তর্জাতিক দর্শকের আগমন ঘটবে যুক্তরাষ্ট্রে। এ কারণে কর্মীদের ন্যায্য আয় নিশ্চিত করতে অনেক রেস্তোরাঁ খাবারের মূল বিলের সঙ্গেই নির্দিষ্ট হারে টিপস যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের টিকিট, বিমানভাড়া, হোটেল খরচ ও যাতায়াত ব্যয়ের চাপে থাকা দর্শকদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আটলান্টার জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ ‘টিজ ব্রাঞ্চ বার’ বর্তমানে বিলের সঙ্গে ১৮ শতাংশ স্বয়ংক্রিয় টিপস যুক্ত করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বকাপ উপলক্ষে তা বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার কথা ভাবছে।

রেস্তোরাঁটির মালিক তেনেশিয়া মারে বাটলার স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স ফাইভ আটলান্টাকে বলেন, “এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের সংস্কৃতির বিষয় নয়। অনেক দেশে টিপস দেওয়ার রীতি নেই, তাই তারা এটি করতে অভ্যস্ত নয়। ফলে অনেকে বিষয়টি পছন্দ নাও করতে পারেন।”

অন্যদিকে বোস্টনের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী ক্রেতাদের চূড়ান্ত বিলের সঙ্গে ২০ শতাংশ বাধ্যতামূলক বকশিশ যোগ করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

তবে সবাই এ পদ্ধতির পক্ষে নন। ম্যান্সফিল্ডের ‘জিমিস পাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’-এর মালিক জর্জ পান্টোস মনে করেন, বাধ্যতামূলক সার্ভিস চার্জ আরোপের পরিবর্তে রেস্তোরাঁয় নোটিশ টাঙিয়ে অতিথিদের টিপস দেওয়ার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়াই বেশি কার্যকর ও যৌক্তিক।

এদিকে কানসাস সিটির অনেক রেস্তোরাঁ মালিকও কর্মীদের আয়ের সুরক্ষায় বাধ্যতামূলক টিপস চালুর দাবি জানিয়েছেন। মিসৌরি রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মাইক বারিস স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কানসাস সিটি বীকন-কে বলেন, “শহরের সব রেস্তোরাঁকে ছয় সপ্তাহব্যাপী বিশ্বকাপ চলাকালে বাধ্যতামূলক টিপস নীতি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

খাদ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান টেকনোমিকের জ্যেষ্ঠ অধ্যক্ষ ডেভিড হেনকেস সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের নিয়ম স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারে। কারণ অনেক মানুষ আগে থেকেই অর্থনৈতিক চাপে রয়েছেন।

তিনি বলেন, “এমনিতেই রেস্তোরাঁয় মানুষের যাতায়াত কমে গেছে। এখন যদি খাবারের খরচ আরও বেড়ে যায়, তাহলে ক্রেতাদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকবে। বিশেষ করে যদি আগে থেকে বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানানো না হয় কিংবা ক্রেতারা মনে করেন যে স্বয়ংক্রিয় টিপসের পরও তাদের অতিরিক্ত বকশিশ দেওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।”

জামালপুর ট্রিবিউন/ আবু সাঈদ

শিরোনাম...

একটি মন্তব্য করুন