ঢাকা

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাঃ

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
Header Ads

জামায়াত নেতা আযাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রতিক্রিয়া

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
অ+ অ-
ইমরান মাহমুদ:

সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদের দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল।

নিজের প্রতিক্রিয়ায় তিনি জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদের বক্তব্যের সমালোচনা করেন এবং বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবন, সততা ও যোগ্যতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্যদের আন্ডারমাইন করেছেন। তাঁর ধারণা, গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে সংসদ সদস্যরা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেতেন এবং বিএনপির সংসদ সদস্যরা জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কর্নেল অলিকে ভোট দিতেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের চেয়ে কোন বিবেচনায় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কর্নেল অলিকে বিএনপির সংসদ সদস্যরা বেছে নেবেন?’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তিনি আপাদমস্তক একজন সৎ, মেধাবী, সজ্জন ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তিনি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। উদার রাজনৈতিক ও পারিবারিক আবহে বেড়ে উঠে প্রগতিশীল ছাত্র রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। শিক্ষকতা পেশার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন।’

মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল আরও বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সততা ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করায় তাঁকে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় নানা জটিল ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের ঐক্য ধরে রেখে গণতন্ত্রের সংগ্রামে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের ভাষ্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলের নীতি ও আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক আনুগত্য ও যোগ্যতার কারণেই বিএনপি চেয়ারপারসন ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশের বিএনপির কোটি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে মির্জা আলমগীর কতটা গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয়, জামায়াত নেতা আযাদ সাহেব তা কীভাবে বুঝবেন?’

কর্নেল অলি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, ‘কর্নেল অলি সম্পর্কে কিছুই বলব না, দেশের মানুষের সবই জানা আছে। তিনি কবে, কখন কী বলেছেন, রাজনৈতিক অবস্থান কীভাবে পরিবর্তন করেছেন এবং শেষপর্যন্ত ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শিবিরে জায়গা নিয়েছেন—এসবের বিচার দেশের মানুষ করবেন।’

সবশেষে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদের বক্তব্যকে ‘বাস্তবতা বিবর্জিত’ ও ‘হাস্যকর মন্তব্য’ হিসেবে উল্লেখ করে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, জামায়াত নেতাদের রাজনৈতিক বক্তব্যের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে তিনি সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন।

জামালপুর ট্রিবিউন/ আবু সাঈদ

শিরোনাম...

একটি মন্তব্য করুন