ঢাকা

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাঃ

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
Header Ads

বকশীগঞ্জ সীমান্তে পুশইনের শিকার বৃদ্ধকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

ভিডিও ও ছবি দেখে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন।
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
অ+ অ-

আসমাউল আসিফ, স্টাফ রিপোর্টার :

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের শিকার ৬৮ বছর বয়সী বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ ও জামালপুর ৩৫ বিজিবি সদস্যরা তাকে তার বড় ভাই ভবানী বর্মনের কাছে বুঝিয়ে দেন।

ষষ্টি চন্দ্র বর্মন রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে তিনি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন।

গত বুধবার (১০ জুন) সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছে তাকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হলে বিএসএফ সদস্যরা তাকে শূন্যরেখায় ফেলে রেখে যায়।

পরে ষষ্টি চন্দ্র বর্মন বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তাকে বাধা দেয়। এতে তিনি আবার শূন্যরেখায় ফিরে যান। এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো পক্ষই তাকে নিজেদের নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি হয়নি।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে বিকাল ৫টার দিকে দুই দেশের সীমান্তবর্তী জনগণের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলেও সারারাত শূন্যরেখায় অবস্থান করেন ষষ্টি চন্দ্র বর্মন।

এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ও ছবি দেখে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন। পরে তারা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করলে পরিচয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় আনা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী থেকে তার বড় ভাই ভবানী বর্মন ও মেয়ে জামাই বকশীগঞ্জ থানায় আসেন। দীর্ঘদিন পর ভাইকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ভবানী বর্মন। পরে সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকালে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিকাল ৫টার দিকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

ষষ্টি চন্দ্র বর্মনের বড় ভাই ভবানী বর্মন বলেন, “আমার ভাই দুই মাস আগে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়। আমরা গরিব মানুষ, তাই থানায় অভিযোগ করতে পারিনি। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও দেখে জানতে পারি সে জামালপুর সীমান্তে আছে। আজ ভাইকে ফিরে পেয়ে খুব ভালো লাগছে।”

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, “সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া ষষ্টি চন্দ্র বর্মনের পরিবার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

জামালপুর ট্রিবিউন/ আবু সাঈদ

শিরোনাম...

একটি মন্তব্য করুন