ঢাকা

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাঃ

No edit

সংবাদ শিরোনাম ::
Header Ads

সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের

সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
অ+ অ-

সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের

স্টাফ রিপোর্টার: 
জামালপুর সরিষাবাড়ী উপজেলা খাদ্য গুদামকে কেন্দ্র করে অবৈধ চাল ও ধান বাণিজ্যে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন জামালপুর সদর উপজেলার খড়খড়িয়া গ্রামের গেন্দু ইসলামের ছেলে মোস্তাফিদুল ইসলাম লিংকন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মোস্তাফিদুল ইসলাম লিংকনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সরকারি চাল সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর র‍্যাব-১৪ জামালপুর সদর উপজেলার ৫ নম্বর ইটাইল ইউনিয়নের দমদমা বকুলতলা বাজারে অবস্থিত তাঁর রাইস মিলে অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি ওজনের ৩৯৮ বস্তা, মোট ১৯ হাজার ৮৪০ কেজি সরকারি চাল উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া চালের আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৮ লাখ ৯২ হাজার ৮০০ টাকা।

পরদিন সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিন্নাত শামছুন্নাহার বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারায় মোস্তাফিদুল ইসলাম লিংকনসহ ৫-৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই মামলায় তদন্ত শেষে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করা হয়।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন স্থানে সরকারি চাল জব্দ হওয়ার পর লিংকন তাঁর কার্যক্রম সরিষাবাড়ী উপজেলায় স্থানান্তর করেন। গত প্রায় তিন মাস ধরে তিনি কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে নিয়মিত সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামে যাতায়াত করছেন।

খাদ্য গুদাম সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে সরকারি খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহের জন্য সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের সানাকুর এলাকার এসএস অটো রাইস মিলকে দুই ধাপে মোট ১২৮ টন ধান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, এসএস অটো রাইস মিলের কর্মচারী পরিচয়ে মোস্তাফিদুল ইসলাম লিংকন ধান সংগ্রহ ও চাল সরবরাহ কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের চাল কম দামে সংগ্রহ করে অন্যত্র পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে সরকার যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি বৈধ মিল মালিকরাও ন্যায্য বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোস্তাফিদুল ইসলাম লিংকনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সরিষাবাড়ী উপজেলা খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা রুবিনা আক্তার বলেন, “লিংকনকে আমরা এসএস অটো রাইস মিলের কর্মচারী হিসেবেই চিনি। তবে কেউ যদি সিন্ডিকেট গড়ে বা অন্যায়ভাবে খাদ্য গুদামের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে, তাহলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। তদন্তে সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শিরোনাম...

একটি মন্তব্য করুন